30 C
Dhaka
Sunday, August 1, 2021
প্রচ্ছদকারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষামাদ্রাসাঈদে শতভাগ উৎসব ভাতা চান মাদরাসার শিক্ষকরা

ঈদে শতভাগ উৎসব ভাতা চান মাদরাসার শিক্ষকরা

আসন্ন ঈদুল আজহাসহ যেকোনো ঈদ উৎসবে শতভাগ ভাতা দাবি করেছে মাদরাসা শিক্ষকদের সংগঠন বাংলাদেশ মাদরাসা জেনারেল টিচার্স অ্যাসোসিয়েশন।

একইসঙ্গে যৌক্তিক দাবি সত্ত্বেও দীর্ঘ দিনে শতভাগ উৎসব ভাতা না পেয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সংগঠনের নেতারা। তাই আর বিলম্ব না করে এবারের ঈদের আগেই শতভাগ উৎসব ভাতা দিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ ও সরকারের পক্ষ থেকে এ সংক্রান্ত ঘোষণাও চান মাদরাসা শিক্ষকরা।

সোমবার (১২ জুলাই) বাংলাদেশ মাদরাসা জেনারেল টিচার্স অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে শতভাগ উৎসব ভাতা প্রদানের দাবিতে ভার্চুয়াল সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় সভাপতিত্ব করেন অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি জহির উদ্দিন। এ সময় জেলা, উপজেলা ও বিভাগীয় শিক্ষক নেতারাও যুক্ত ছিলেন। সভা পরিচালনা করেন সংগঠনের মহাসচিব মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন।

সভায় বক্তারা, শিক্ষক- কর্মচারীদের সরকারি নিয়মে বাড়িভাড়া, উৎসব ভাতা, চিকিৎসা ভাতা প্রদান ও শিক্ষা ব্যবস্থা জাতীয় করণের দাবি জানান। একইসঙ্গে একটি নীতিমালা প্রণয়নের মাধ্যমে বদলি প্রথা চালু করার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।

সংগঠনের সভাপতি জহির উদ্দিন হাওলাদার বলেন, বর্তমান শিক্ষাবান্ধব সরকার এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের জাতীয় বেতন স্কেলের অন্তর্ভুক্ত করেছেন, ৫% ইনক্রিমেন্ট দিয়েছেন, ২০% বৈশাখী ভাতা দিয়েছেন, প্রায় ছয় শতাধিক স্কুল/কলেজ জাতীয়করণ করেছেন এবং ২০১৯-২০ অর্থবছরে ২৭৩০টি নতুন প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করেছেন।

এছাড়া করোনা দুর্যোগে নন-এমপিও শিক্ষক-কর্মচারীকে বিশেষ অনুদান দেওয়ার ব্যবস্থা করেছেন। এজন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ জানাই।

আসন্ন ঈদুল আজহায় শতভাগ উৎসব ভাতা না দেওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেন, ২০০৪ সালে শিক্ষকদের ২৫% ও কর্মচারীদের ৫০% উৎসব ভাতা দেওয়ার নিয়ম চালু হওয়ার পর ১৭ বছর গত হলেও খণ্ডিত উৎসব ভাতার পরিবর্তন হয়নি। এটি শিক্ষক সমাজের জন্য অত্যন্ত লজ্জার এবং দুঃখজনক ঘটনা। অনতিবিলম্বে শিক্ষক-কর্মচারীদের শতভাগ উৎসব ভাতা দেওয়ার জোর দাবি জানাই। এছাড়া স্কুল-কলেজের এমপিও নীতিমালার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে মাদরাসার এমপিও নীতিমালা সংশোধনের জন্য সরকারের প্রতি অনুরোধ জানাচ্ছি।

সভায় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সিনিয়র সহসভাপতি মো. ফজলুল বারী বেলাল, ড. মো. মোখলেছুর রহমান, মো. শহিদুল ইসলাম, সহসভাপতি ড. মু. জাকির হোসেন, মো. আমির উদ্দিন, মো. হোসনি মোবারক, হুমায়ুন তালুকদার, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব মো. ওয়ালিদ হোসেন, যুগ্ম মহাসচিব মো. আতাউর রহমান, মো. মোস্তাফিজুর রহমান, মাসুদা সুলতানা, মো. গোলাম মোস্তফা, সিনিয়র সাংগঠনিক সম্পাদক মো. শফিউল আজম, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আমজাদ হোসেন, মো. রেজাউল করিম, মো. আল-আমিন সরকার, নুরুল আমিন শিশির, অর্থ-সম্পাদক খোরশেদ কবির মাসুদ, দফতর সম্পাদক আরিফ ইমাম, আন্তর্জাতিক সম্পাদক মো. নেকবর হোসেন, প্রচার সম্পাদক মোহাম্মদ আলী মণ্ডল, গণসংযোগ সম্পাদক মো. আব্দুল জলিল, তথ্য ও প্রযুক্তি সম্পাদক মো. আব্দুল মালেক, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মো মোস্তাক আহমেদ, মো. আব্দুর রাজ্জাক, নাহিদা পারভিন, বাবু রজত কান্তি দাস, মাসুদ রানা, জাকির হোসেন, ক্রীড়া সম্পাদক মো. মজিবুর রহমান প্রমুখ।

মতামত লিখুন

দয়া করে আপনার মন্তব্য লিখুন!
দয়া করে এখানে আপনার নাম লিখুন

সর্বশেষ সংবাদ