25 C
Dhaka
Friday, December 2, 2022
প্রচ্ছদমাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষাকলেজশিক্ষার্থীদের টিকা দিতে জেলায় জেলায় কেন্দ্র

শিক্ষার্থীদের টিকা দিতে জেলায় জেলায় কেন্দ্র

মধ্য অক্টোবর খুলবে বিশ্ববিদ্যালয়· স্কুল-কলেজ খোলা নির্ভর করছে সংক্রমণ পরিস্থিতির ওপর।

· চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে ১ সেপ্টেম্বর ফের কারিগরি কমিটির সঙ্গে বৈঠককরোনার কারণে দীর্ঘ ১৮ মাস ধরে বন্ধ থাকা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি আরেক দফা বাড়িয়ে আগামী ১১ সেপ্টেম্বর করা হয়েছে। তবে ছুটি আরও বাড়বে। ১৮ বছরের ওপরের সব শিক্ষার্থী ও শিক্ষক কর্মচারীদের আগামী মাসের মধ্যে টিকাদান শেষ করে মধ্য অক্টোবরে খুলবে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো। করোনার সংক্রমণের হার ১০ শতাংশের নিচে নামলেই প্রাথমিক থেকে উচ্চমাধ্যমিক স্তরের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দিতে চায় শিক্ষার দুই মন্ত্রণালয়।

তবে এ সিদ্ধান্ত নির্ভর করছে কোভিড-১৯ সংক্রান্ত জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটির মতামতের ওপর।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুললেও মানতে হবে স্বাস্থ্যবিধি। প্রতিদিন অনলাইনে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো মনিটরিং করবে মন্ত্রণালয়। তবে ১২ বছর পর্যন্ত বয়সের শিক্ষার্থীদের ফেসশিল্ড ব্যবহারের পরামর্শ দিয়েছেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা। দেশের বাস্তবতায় এটি পালন করা কঠিন। যে কারণে কারিগরি কমিটির সঙ্গে আগামী বুধবার ( ১ সেপ্টেম্বর) ফের সভা করে সিদ্ধান্ত নেবে। একই সভায় সংক্রমণের হার কত শতাংশ হলে স্কুল-কলেজ খুলে দেওয়া হবে সেটি ঠিক করা হবে। ১৮ বছরের ওপরের শিক্ষার্থীদের টিকা নিশ্চিত করতে জেলায় জেলায় কেন্দ্র খোলা হবে।বৃহস্পতিবার (২৬ আগস্ট) শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা নিয়ে আন্তঃমন্ত্রণালয়ে এক ভার্চুয়াল সভায় এসব আলোচনা হয়েছে বলে সভা সূত্রে জানা গেছে। শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি এমপির সভাপতিত্বে সভায় যুক্ত ছিলেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী জাকির হোসেন, শিক্ষা উপমন্ত্রী ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. কাজী শহীদুল্লাহ, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব মাহবুব হোসেন, কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব আমিনুল ইসলাম খান, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব গোলাম হাসিবুল আলম, কোভিড-১৯ বিষয়ক জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ডা. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় সমিতির সভাপতি শেখ কবির হোসেনসহ স্বাস্থ্য অধিদফতরের প্রতিনিধি, শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন দফতর সংস্থার প্রতিনিধি, বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও শিক্ষাবোর্ডের চেয়ারম্যানরা।

বুধবার ফের সভাসংক্রমণের হার কত শতাংশ হলে প্রাথমিক থেকে মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়া হবে এবং ১২ বছরের নিচের শিক্ষার্থীদের মাস্ক না ফেসশিল্ড পরবে- এই দুটি বিষয় চূড়ান্ত করতে আগামী বুধবার সভায় বসবে আন্তঃমন্ত্রণালয়।

পরদিন সরকারের সিদ্ধান্ত গণমাধ্যমকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানাবে।জেলায় জেলায় টিকা কেন্দ্রদ্রুত সময়ের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয় খোলার লক্ষ্যে জেলায় জেলায় কেবল ১৮ বছরের ওপরের শিক্ষার্থীদের জন্য টিকাদান কেন্দ্র করা হবে। এ ব্যাপারে ইতোমধ্যে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আলাপ হয়েছে। শিক্ষার্থীর সংখ্যা বেশি হলে উপজেলা পর্যায় টিকা কেন্দ্র করা হবে বৈঠকে এ তথ্য জানান শিক্ষামন্ত্রী। সভায় মন্ত্রী বলেন, আগামী মাসের মধ্যে শতভাগ শিক্ষক-কর্মচারীদের টিকা নিশ্চিত করতে হবে। বিশেষ কারণে কেউ টিকা নিতে না পারলে তা মন্ত্রণালয়কে জানতে হবে।মধ্য অক্টোবরে খুলবে বিশ্ববিদ্যালয়সভার শুরুতে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসিরা দ্রুততম সময়ের মধ্যে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের হল খুলে দেওয়ার পক্ষে মত দেন। সভা সূত্রে জানা গেছে, বৈঠকে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক শিরিন আক্তার জানান, তার বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় সব শিক্ষক করোনার টিকা নিয়েছেন।

এছাড়া হলে থাকা শিক্ষার্থীরাও করোনা টিকার দুটি ডোজ নিয়েছেন। তাই সেপ্টেম্বর থেকে হল খোলার আহ্বান জানান তিনি। আর দ্রুত সময়ের মধ্যে টিকা কার্যক্রম শেষ করে হল খুলে দেওয়ার প্রস্তাব করেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ফারজানা ইসলাম। এছাড়াও অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যরাও হল খুলে দেওয়ার পক্ষে মত দেন।

Subscribe

মতামত লিখুন

দয়া করে আপনার মন্তব্য লিখুন!
দয়া করে এখানে আপনার নাম লিখুন

সর্বশেষ সংবাদ